- ৬ মিলিমিটার পুরু এবং ১০০ মিলিমিটার ৩০০ মিলিমিটার মাপের দুই খণ্ড মাইল্ড স্টিল প্লেট লও।
- পেট বাঁকা থাকলে এনভিলের উপর রেখে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে সোজা কর।
- ভালোভাবে প্রাইন্ডিং মেশিনের সাহায্যে গ্রাইন্ডিং করে ধারসমূহ সোজা করে ওয়ার্কশিস প্রস্তুত কর।
- ওয়ার ব্রাশ বা এমারি রুখ দিয়ে পেট দুইটি পরিষ্কার কর।
- একটি পেটের মাঝখানে স্টিল রুপ এবং ক্রাইবার ব্যবহার করে দাগ দাও যেন ঐ দাগের উপর অপর পেট রেখে জোড়া তৈরি করা যায় ।
সঠিক পরিমাপের ইলেকট্রোড মান ওয়েল্ডিং এর পূর্বশর্ত। ৪.২ এর চার্ট করে ইলেকট্রোড নির্বাচন করতে পার, তবে এক্ষেত্রে ধাতুর পুরুত্ব অনুসারে ৩.২ মিনি ব্যাসের ইলেকট্রোড বেছে নাও।
প্লেটের পার্শ্বদ্বয় পরিষ্কার ও স্কাইবার ও স্টিলরুলের দাগ দেওয়ার পর একটি প্লেট অপর প্লেটের উপর এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে প্লেটের ধার অপর প্লেটের উপর সমকোণী ভাবে অবস্থান করে। উপরের প্লেটের অপর পার্শ্বে অর্থাৎ যে পার্শ্ব নিচের প্লেটের বাইরে আছে সে পার্শ্বের নিচে একটি লোহার পাত দাও, যাতে উভয় পার্শ্ব সমতলভাবে অবস্থান করে।
ডান হাতে হোল্ডার ধরে হোল্ডারের লিভারে বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে চাপ দিয়ে ফাঁক কর। ইলেকট্রোডের যে অংশ কোটিং থাকে না সে অংশ বাম হাত দিয়ে হোল্ডারের ফাঁকে ঢুকাও। এবার হোল্ডারের ক্ল্যাম্প ছেড়ে দিয়ে শক্তভাবে হোন্ডারের সাথে ইলেকট্রোড আটকাও। মনে রাখতে হবে ইলেকট্রোড যেন কোন ভাবে লুজ না থাকে। ভালোভাবে যাচাই করে সঠিকভাবে ইলেকট্রোড লাগিয়ে কার্য উপযোগী কর।
প্লেটের পুরুত্ব অনুসারে কারেন্ট সেট করতে হবে। ৪.৫ এর চার্ট হতে পুরুত্ব অনুসারে কারেন্ট নিরূপণ কর। ৬ মিমি পুরু পেটের জন্য ১১০ হতে ১৩০ অ্যাম্পিয়ার সেট করে লক্ষ কর বেসমেটাল এবং ইলেকট্রোড গলছে কীনা। যদি না গলে তবে কারেন্টের পরিমাণ আরও বাড়াও।
যে প্লেটটির উপর দাগ টানা হয়েছে ঐ দাগ বরাবর অপর প্লেটটি রাখ।
- প্লেট দুইটির সংযোগস্থল দুই পার্শ্বে দুইটি এবং মাঝখানে একটি ট্যাক ওয়েন্ড কর ।
- জবের দৈর্ঘ্য অনুসারে ২-৩ টি ট্যাক ওয়েন্ড কর। ট্যাক ওয়েল্ডকে জোড়ের প্রস্তুতিও বলা হয়।
সমতল প্লেটটির সাথে ইলেকট্রোড ৪৫° কোণে ধর এবং পেট দুইটির সংযোগ স্থল হতে ৯০° কোণে ধরে রান টানতে থাক।
- ইলেকট্রোডের ব্যাস অনুসারে আর্কের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ যিনি রক্ষা করতে চেষ্টা কর ।
- ইলেকট্রোড চালনার গতি সব সময় একই রাখ।
- প্লেট দুইটির সংযোগস্থল বরাবর ইলেকট্রোড চালনা কর। সংযোগস্থল হতে দূরে ইলেকট্রোড চালনা করে একটি প্লেটের উপর ওয়েল্ড মেটাল বেশি জমা হবে। অপর প্লেটটি গলবে না বা মেটাল জমবে না। যার ফলে জোড়া লাগবে না ।
- চিপিং হাতুড়ি দিয়ে স্লাগের আবরণ তোলার পর তারের ব্রাশ দিয়ে জোড়া স্থান উত্তমরূপে পরিষ্কার কর।
ওয়েন্ডিং জোড়ের সময় লক্ষণীয় বিষয়গুলো হলো
- ইলেকট্রোড অ্যাংগেল সঠিক রাখছে কীনা?
- আর্ক লেংথ সঠিকভাবে বজায় রাখতে পারছে কীনা?
- ইলেকট্রোড চালনার গতি সমভাবে হচ্ছে কীনা?
ধাতু জোড়ের পর লক্ষণীয় বিষয়গুলো হলোঃ
- বিডটি প্লেট দুইটির সংযোগ স্থলে টানা হয়েছে কীনা?
- ওয়েল্ডের লেগ লেংথ সমান আছে কীনা?
- ওয়েল্ডিং প্লেটের কোন আকৃতি পরির্তন হয়েছে কীনা?
- ভাইসে বেঁধে ওয়েল্ডিং-এর উপর চাপ দিয়ে যদি জোড়া খুলে যায়, তাহলে বুঝা যাবে ভালো পেনিট্রেশন হয়।
- মূল ধাতু না গলে যদি ইলেকট্রোড গলে ওভার ল্যাপ হয়ে থাকে তাহলে বুঝবে ওয়েল্ডিং ভালো হয়নি।
১। সারফেস প্রিপারেশনসহ ওয়ার্কপিস প্রস্তুতিকালের করণীয়সমূহ বর্ণনা কর।
২। ইলেকট্রোড হোল্ডারে আটকানোর নিয়ম উল্লেখ কর।
৩। ল্যাপ জোড় সম্পন্ন করার ধাপসমূহ বর্ণনা কর।
৪। ধাতু জোড়ের সময় ও পরে লক্ষণীয় বিষয়সমূহ উল্লেখ কর।
৫। ওয়ার্কপিস ট্যাককরণের ধাপসমূহ উল্লেখ কর।
৬। কারেন্ট সেট করতে লক্ষণীয় বিষয়গুলো উলেখ কর ।
Read more